অনলাইন থেকে টাকা আয়ের সেরা পদ্ধতি। Todaytrick

ডিজিটাল প্রযুক্তির এই সময়ে অনলাইন ভিত্তিক কার্যক্রম দিন দিন বেড়েই চলেছে। আমাদের প্রয়োজনীয় দ্রব্য গুলো অনলাইনে সহজে পাওয়া যাচ্ছে। নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সহজেই করা যাচ্ছে। যে কাজটি করতে এক সপ্তাহ সময় লাগতো সেটা এখন এক ঘন্টার মধ্যে করা সম্ভব হচ্ছে শুধুমাত্র অনলাইনের সুযোগ-সুবিধার কারনে।

অনলাইনে মানুষের এই আগ্রহ এর উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন অনলাইন ব্যবসা, সেবা কর্ম সবকিছু। শুধুমাত্র অনলাইনের বিভিন্ন মাধ্যমে কাজ করে প্রতিমাসে ভালো পরিমাণের অর্থ আয় করতেছে অনেকেই। তাহলে! আপনি কেন পারবেন না? চলুন জেনে নিই অনলাইন থেকে আয়ের সেরা কিছু পদ্ধতি।

১. ব্যবসা শুরু করা

বর্তমানে অনলাইনে হাজার হাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে। গ্রাহকরা প্রতিনিয়ত অনলাইনের বিভিন্ন সপ থেকে তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য গুলো ক্রয় করতেছে। ঘরে বসে থেকেই এই সুবিধা পাওয়ায় অনলাইন ব্যবসা এর জনপ্রিয়তা আরো বাড়তেছে।
এছাড়া প্রতিদিন নতুন নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তৈরি হচ্ছে অনলাইনে। আপনি আপনার পছন্দের কিছু প্রোডাক্ট নিয়ে আপনিও শুরু করে দিতে পারেন আপনার অনলাইন ব্যবসা। একবার যদি আপনি সঠিকভাবে ব্যবসা দাড় করাতে পারেন তাহলে আপনাকে আর পিছে তাকাতে হবে না। যেই ব্যবসা থেকে আপনি প্রচুর অর্থ আয় করতে পারবেন।

২. চাকরি করা

আজকাল শুধু অফলাইনে চাকরি নয়। বর্তমানে অনলাইনেও বিভিন্ন ধরনের চাকরি করা যায়। অনেক বড় বড় কোম্পানি আছে যারা তাদের কার্যক্রম গুলো অনলাইনে বা বিভিন্ন মাধ্যমে করে থাকে। এজন্য তারা ঐ বিষয়ে দক্ষ কাউকে খুজে থাকে এবং অনলাইনে বিভিন্ন মাধ্যমে তা জানায়।

আর আপনার যদি ঐ বিষয়ে দক্ষতা থাকে তাহলে তাদের সাথে যোগাযোগ করে ঐ কোম্পানির সাথে যুক্ত হয়ে চাকরি করতে পারেন। এতে কাজ করার জন্য আপনাকে ঐ কোম্পানি এর অফিসে যেতে হবে না। আপনি ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে তাদের কাজ গুলো করতে পারবেন। অনলাইনের মাধ্যমেই পেমেন্ট নিতে পারবেন।

৩. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বর্তমানে অনেক বেশি জনপ্রিয়। সঠিকভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কটিং করতে পারলে প্রতি মাসে ভালো পরিমানের অর্থ আপনি আয় করতে পারবেন। হাজার হাজার মানুষ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতেছে

আপনিও বিভিন্ন কোম্পানির অ্যাফিলিয়েট সিস্টেমের সাথে যুক্ত হয়ে তাদের দেওয়া অ্যাফিলিয়েট লিংক গুলো ওয়েবসাইটে, সোশিয়াল মিডিয়ায় বা অন্যান্য মাধ্যমে শেয়ার করে তাদের পণ্য বিক্রির মাধ্যমে ভালো পরিমানের কমিশন আয় করতে পারবেন।

৪. ব্লগিং করা।

ব্লগিং এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে। নিজেদের জানা বিষয় গুলো ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সবার সাথে শেয়ার করবেন।
অনেকেই নিজেদের অজানা বিষয় গুলো জানার জন্য অনলাইনে সার্চ করে। এরপর যখন ঐ বিষয়ের উপর যখন আপনার সাইটে আর্টিকেল পাবে তারা আপনার ব্লগে আসতে থাকবে। এভাবে আস্তে আস্তে আপনার সাইটে ভিজিটর আসতে থাকবে।
এরপর বিভিন্ন মেথডের মাধ্যমে সেই ওয়েবসাইট থেকে আয় করতে পারবেন।

৫. ফ্রিলান্সিং করা

বিভিন্ন পেশার মধ্যে ফ্রিলান্সিং পেশাটার জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আপনার যদি কোন বিষয়ে দক্ষতা থাকে তাহলে আপনি মার্কেটপ্লেস এ জয়েন করে সেই বিষয়ের কাজগুলো করতে পারবেন।
তবে আপনাকে যেমন-তেমন কাজ জানলে হবে না। আপনি যেই কাজ জানেন না কেন আপনাকে সেটা প্রফেশনাল ভাবে জানতে হবে। তবেই আপনি মার্কেটপ্লেস গুলোতে টিকে তাকতে পারবেন।

৬. ফটো বিক্রি করা

আমরা অনেকেই ছবি তুলতে ভালবাসি। আপনারা অনেকেই হয়ত জানেন না সেই ফটো গুলো অনলাইনে বিক্রি করা যায়। আপনার তুলা ছবি গুলো Sutterstock  এরমত প্লাটফর্ম গুলোতে জমা দিবেন। ছবিটা যদি সবকিছু সঠিক থাকে তাহলে তারা আপনার ছবিটি অনলাইনে পাবলিশ করে দিবে। এরপর সেই ছবিটা যতবেশি বিক্রি হবে ততবেশি টাকা আপনি পাবেন।

৭. ইউটিউবিং করা

অন্য প্রফেশন এর মত ইউটিউব অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়ে উটেছে। অনেকেই নিজেদের পছন্দের ভিডিও তৈরি করে ইউটিউব এ আপলোড করতেছে। এভাবে একটার পর একটা ভিডিও আপলোড করার পর যখন ইউটিউবের মনিটাইজেশন এর সর্ত গুলো যখন পূরন হয়ে যাবে তখন সেই চ্যানেলটিতে মনিটাইজেশন অন করে গুগল এডসেন্স এর মাধ্যমে বা অন্য মাধ্যমে আপনি ইউটিউব থেকে আয় করতে পারবেন।

৮. কোর্স করানো

আপনার যদি নির্দিষ্ট কোন বিষয়ে ভালো দক্ষতা থাকে তাহলে আপনি সেই বিষয়ের উপর গাইটলাইন এবং বিস্তারিত জানিয়ে অনেককেই কোর্স করাতে পারেন অথবা কোর্স ভিডিও তৈরি করলেন।
এরপর আপনি সেই কোর্স গুলো অনলাইনে প্রমোট করলেন। মানুষ যখন আপনার কোর্স গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবে তখন তারা আপনার কোর্স গুলো কিনতে তাকবে। এভাবেই আপনি অনলাইনে কোর্স বিক্রি করে আয় করতে পারবেন।

৯. Amazon, Ebay seller

অ্যামাজন, ইবাই এর মত ইকমার্স সাইট গুলোতে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ পণ্য বিক্রি হয়। তাদের এই পণ্য গুলো বিক্রি করার জন্য হাজার হাজার সেলার আছে। আপনি একজন সেলার হিসেবে সেই কোম্পানি গুলোতে যুক্ত হয়ে পণ্য বিক্রি করতে পারবেন এবং ভালো অর্থ আয় করতে পারবেন।

১০. লিখালিখি করা

লেখা-লেখি বিষয়টা অনেক জনপ্রিয়। বর্তমানে সব জায়গায় বিভিন্ন বিষয়ের লেখা প্রয়োজন হয়। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বিষয়ে জানাতে, নতুন সমস্যা সমাধান করতে, আরো বিভিন্ন কাজে লেখালেখির প্রয়োজন হয়।
আপনার যদি লেখালেখি করার অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে বিভিন্ন ব্লগে বা বিভিন্ন নিউজ কোম্পানিতে কিংবা অন্য কোন জায়গায় যেখানে লেখালেখির প্রয়োজন হয় সেখানে যুক্ত হতে পারেন। এছাড়া আপনি মার্কেটপ্লেস এ একজন ফ্রিলান্সার রাইটার হিসেবে যুক্ত হয়ে পারবেন। তাদের প্রয়োজনীয় লেখা গুলো লিখে অনলাইনের মাধ্যমে তাদেরকে পাটিয়ে দিবেন। এরপর তাদের থেকে পেমেন্ট নিয়ে নিবেন। এভাবে আপনি লেখা-লেখি করে অনলাইন থেকে আয় করতে পারবেন।

১১. অনলাইনে পরামর্শ দেওয়া

অনেক জনপ্রিয় মানুষ আছে যাদের নির্দিষ্ট কোন বিষয়ে (যেমন: শিক্ষকতা, ডাক্তারি, ব্যবসা ইত্যাদি) অভিজ্ঞতা আছে তাদের কাজ থেকে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ নেই বা তাদেরকে বিভিন্ন অনুস্টান এ দাওয়াত দেওয়া হয় কিছু পরামর্শ দেওয়ার জন্য।
আপনার নির্দিষ্ট কোন বিষয়ে দক্ষতা থাকে তাহলে আপনি অনলাইনে মানুষকে পরামর্শ দিতে পারেন। সাহায্য করতে পারেন। তার বিনিময়ে তাদের থেকে টাকা নিতে পারেন। বর্তমানে অনেকেই এভাবে অনলাইনে পরামর্শ দিয়ে তাদের নির্দিষ্ট চার্জ গুলো আদায় করে নিচ্ছেন।

১২. এসইও সার্ভিস দেওয়া

বর্তমান সময়ে এসইও এর গুরুত্ব অনেক বেশি। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে এবং সাইট গুলোকে রেঙ্কিং এর জন্য এসইও করতে হয়। এছাড়া পুরাতন ওয়েবসাইট গুলোকে রেঙ্কিং ধরে রাখার জন্য তাদের সাইটে এসইও করতে হয়।
আপনি যদি নিজে এসইও জানেন তাহলে আপনি এসইও এর সার্ভিস দিতে পারবেন অথবা অন্য কাউকে আপনি জয়েন করে এসইও সার্ভিস দিয়ে আয় করতে পারবেন।

১৩. এসইএম মার্কেটার

এসইএম এর পূর্ণরূপ হল সার্চ ইজ্ঞিন মার্কেটিং। বিভিন্ন ওয়েবসাইটের বিক্রি বৃদ্ধির জন্য, ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বৃদ্ধির জন্য, নিজেদের ওয়েবসাইট বা ওয়েবসাইটের কনটেন্টকে সার্চ রেজাল্ট পেইজে সবার প্রথমে দেখানোর জন্য সার্চ ইজ্ঞিন গুলোতে টাকা ব্যায় করে যে মার্কটিং করা হয় তাই এসইএম মার্কেটিং।
আপনি এসইএম জানেন, তাহলে আপনি বিভিন্ন কোম্পানিতে বা মার্কেটপ্লেস অথবা লোকাল সার্ভিস দিয়ে আপনি আয় করতে পারবেন।

১৪. ইমেইল মার্কেটার

ইমেইলের মাধ্যমে নিজেদের পণ্য বা সেবা সমূহকে সবার কাছে পৌছানোর জন্য যে মার্কটিং করা হয়, তাই ইমেইল মার্কেটিং। আর এ কাজটি যে করে তাকে বলা হয় ইমেইল মার্কেটার।
আপনি যদি ইমেইল মার্কটিং জানেন তাহলে আপনি অনলাইনে বিভিন্ন জায়গায় ইমেইল মার্কটিং এর কাজ করে আয় করতে পারবেন।

১৫. বিভিন্ন তথ্য বিক্রি করা

যেকোন কিছুর ক্ষেত্রে তথ্য বা ডেটা হল সবচেয়ে বড় সম্পদ। আপনি যখন ফেসবুক ব্যবহার করেন ফেসবুক তখন আপনার ডেটা গুলো কালেক্ট করে। যেমন: আপনি কখন কি সার্চ করতেছেন। কি খুজতেছেন। কিসের উপর আপনার আগ্রহ বেশি সবকিছু ফেসবুক কালেক্ট করে থাকে।
ঠিক তেমনি আপনি যেকোন ওয়েবসাইটে জান তারাও আপনার ডেটা কালেক্ট করে। আপনার কাছে যদি এই ধরনের ডেটা থাকে তাহলে আপনি এগুলো বিভিন্ন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান এর কাছে বিক্রি করতে পারেন। তারা আপনার তথ্য গুলো কিনতে চাইবে। যার বিনিময়ে আপনি তাদের থেকে পেমেন্ট নিয়ে নিবেন।

১৬. সোশিয়াল মিডিয়া মার্কেটার

সোশিয়াল মিডিয়া এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে। প্রত্যেকেই কম-বেশি সোশিয়াল মিডিয়া গুলো ব্যবহার করতেছে। এছাড়া সোশিয়াল মিডিয়া সাইট গুলোতে রয়েছে হাজারো ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান।
এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলো প্রতিদিন তাদের পণ্য বিক্রি করতেছে। নতুন পণ্য আনতেছে। তাদেরকে সবসময় গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করার জন্য বিভিন্ন কাজ করতে হয়। ব্যবসায়ের বিক্রি বৃদ্ধির জন্য তাদেরকে সবসময় সোশিয়াল মিডিয়ায় মার্কেটিং করতে হয়।
এই কাজ গুলো করার জন্য একজন সোশিয়াল মিডিয়া মার্কেটিং এক্সপার্ট এর প্রয়োজন হয়। আপনি যদি সোশিয়াল মিডিয়া মার্কটিং জানেন তাহলে আপনি বিভিন্ন জায়গায় সোশিয়াল মিডিয়া মার্কেটার হিসেবে কাজ করতে পারবেন।

১৭. ওয়েব ডিজাইনিং সার্ভিস দেওয়া

অনলাইনে ওয়েবসাইটের শেষ নেয়। প্রতিদিন নতুন নতুন আরো ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে। ওয়েবসাইট গুলোর ভিজিটরদের সুবিধার জন্য বিভিন্ন ডিজাইন পরিবর্তন করতে হয়। এজন্য প্রত্যেক ওয়েবসাইটের মালিকের এক বা একাধিক ওয়েব ডিজাইনার এর প্রয়োজন হয়।
আপনি যদি ওয়েব ডিজাইন জানেন তাহলে আপনি ওয়েব ডিজাইনিং বা ডেভেলাপিং এর সার্ভিস দিতে পারেন।

১৮. সার্ভে কাজ করা

অনলাইনে সার্ভে কাজ করেও ভালো পরিমানের অর্থ আয় করা যায়। সার্ভে হল বড়বড় কোম্পানি গুলো গ্রাহকের চাহিদা সম্পর্কে জানতে বিভিন্ন ধরনের সার্ভে যুক্ত করে দেয়। আপনি যদি ঐ সার্ভে গুলো কমপ্লিট করে দেন তাহলে তারা আপনাকে নির্দিষ্ট একটা পেমেন্ট দিবে। অনলাইনে অনেক ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনি যুক্ত তাদের সার্ভে কাজ গুলো করতে পারবেন এবং তাদের থেকে পেমেন্ট নিয়ে নিতে পারবেন।

১৯. ই-বুক বিক্রি

এটাও অনেক জনপ্রিয় একটি কাজ। অনলাইনে আপনি হাজারো বই খুজে পাবেন। যেগুলো ই-বুক বা পিডিএফ আকারে তৈরি এবং নির্দিষ্ট একটা দামে বিক্রি করতেছে। যাদের প্রয়োজন তারা কিনে নিচ্ছে। আপনি যদি বই লিখতে পারের তাহলে নির্দিষ্ট কোন বিষয়ের উপর লিখে অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন। যেগুলো একবার লিখে আপনার হাজার হাজার মানুষের কাছে বিক্রি করে অনেক টাকা আয় করতে পারবেন।

২০. সিপিএ করা

Cost Per Action এর সংক্ষিপ্ত রূপ হল CPA. অর্থাৎ আপনাকে নির্দিষ্ট কোন কাজের জন্যই তারা আপনাকে পেমেন্ট করবে। যেমন: ইমেইল সাবমিট করা। ফর্ম পিলাপ করা। ওয়েবসাইট ভিজিট করা। শেয়ার করা। এই ধরনের ছোট ছোট কাজ গুলো করেও আপনি আয় করতে পারবেন।

২১. অ্যাপ ইনস্টল করা

এটাও ঠিক সিপিএ এর মত। মার্কেটে যখন নতুন কোন অ্যাপ আসে সেটাকে জনপ্রিয় করার জন্য কোম্পানি গুলো বিভিন্ন জায়গায় টাকা দেয়। যেখানে তারা অন্যান্য মানুষের সাহায্যে অ্যাপটি ইনস্টল করায়। ঐ টাকা থেকে কিছু টাকা তাদেরকে দেয়। আপনি চাইলে এই কাজটি করতে পারবেন। তবে এই ধরনের কাজ গুলোর পেমেন্ট খুব অল্প হয়।

২২. ইনস্টাগ্রাম মার্কেটার

সোশিয়াল মিডিয়া সাইট গুলোর মধ্যে ইনস্টাগ্রাম অনেক জনপ্রিয়। ইনস্টাগ্রামে আছে হাজারো ব্যবসা বা ব্র্যান্ড। নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলো তাদের ব্যবসাকে সবার কাছে পৌছাতে এবং নতুন গ্রাহক তৈরি করতে তারা ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং করে থাকে। তাদের এই মার্কটিং করার জন্য একজন এক্সপার্ট ইনস্টাগ্রাম মার্কেটার এর প্রয়োজন হয়।
আপনি যদি ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং জানেন তাহলে আপনি ইনস্টাগ্রাম মার্কেটার হিসেবে বিভিন্ন কোম্পানিতে যুক্ত হয়ে কাজ করতে পারেন অথবা নির্দিষ্ট কাজ বা সময়ের ভিত্তিতে সার্ভিস দিতে পারেন।

২৩. এজেন্সি তৈরি করা

অনলাইনে হাজারে এজেন্সি আছে। যেগুলোতে প্রতিনিয়ত অনেকেই তাদের সার্ভিস গুলো গ্রহন করতেছে। তারাও সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে। আপনি যদি অনলাইনে নিজের একটা কিছু করতে চান তাহলে সহজেই একটা এজেন্সি তৈরি করে নিতে পারবেন।
কি কি সার্ভিস দিবেন তা ঠিক করে সেই বিষয়ের উপর কয়েকজন এক্সপার্টকে যুগ দিন। এরপর প্রচারণা শুরু করে দিন। যাদের যে সার্ভিস প্রয়োজন হবে তারা আপনার এজেন্সি থেকে সেগুলো নিবে। এভাবে আস্তে আস্তে সেটা একটা বড় ব্র্যান্ড এ পরিনত হবে।

২৪. ডিজাইন বিক্রি করা

যেকোন কিছুর জন্য ডিজাইন অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ডিজাইনের মাধ্যমে যেকোন কিছুর সৌন্দর্য ফুটে উটে। ডিজাইন যেকোন কিছুর হতে পারে যেমন: কাপড়ের ডিজাইন। ঘরের ডিজাইন। দোকানের ডিজাইন। ব্যবসায়ের লোগো ডিজাইন। ওয়েবসাইটের ডিজাইন ইত্যাদি। প্রত্যেক কিছুতে ডিজাইন প্রয়োজন।
আপনি ডিজাইনিং এর কাজ জানেন তাহলে আপনার ডিজাইন গুলো অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন। অনেক ডিজাইনিং ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনার ডিজাইন গুলো জমা দিবেন এরপর তাদের ভালো লাগলে তারা আপনাকে বিভিন্ন ডিজাইনিং এর কাজ দিবে। যেখান থেকেও আপনি আয় করতে পারবেন।

২৫. ভিডিও বিক্রি করা

Sutterstock, Pixabay এর মত অনেক ওয়েবসাইট আছে যেগুলোতে আপনি ১০-২০ সেকেন্ড বা ১-২ মিনিট এর ভিডিও পাবেন। যেখানে অনেক আছে ফ্রি। অনেক আছে পেইড।
অনেকের প্রয়োজনে সেই ভিডিও গুলো তারা ক্রয় করতেছে। আপনি যদি এই ধরনের ছোট ছোট ভিডিও রেকর্ড করে সাইট গুলোতে পেইড হিসেবে আপলোড করেন। এরপর যখন কেউ ভিডিও গুলো ক্রয় করবে তখন আপনি সেই ভিডিওর নির্দিষ্ট অর্থ পেয়ে যাবেন। যতবেশি বিক্রি হবে ততবেশি আয় হবে।

এগুলো ছিল অনলাইন থেকে আয় করার জন্য কিছু পদ্ধতি। এছাড়া আরো হাজারো মাধ্যম আছে অনলাইনে আয়ের। অফলাইনে আমরা যেমন বিভিন্ন কাজ দেখতে পায়। ঠিক তেমনি অনলাইনেও সব ধরনের কাজ আছে। বরং অফলাইনের চেয়ে আরো বেশি আছে। যেকোন কাজই আপনি করতে পারবেন এবং অনলাইন থেকে আয় করতে পারবেন।

তবে এর জন্য আপনাকে যে কাজটি করবেন সেই বিষয়ে দক্ষ হতে হবে। পরিশ্রম করতে হবে এবং ধৈর্য ধরতে হবে তাহলেই আপনি অনলাইনে সফল হতে পারবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

0 Shares
Share via
Copy link
Powered by Social Snap